একমি পেস্টিসাইডস লিমিটেড প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে উত্তোলিত অর্থ ব্যয়ের সময়সীমা ২০২৭ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বৃদ্ধির প্রস্তাব অনুমোদন করেছেন বিনিয়োগকারীরা। ৩০ জুলাই অনুষ্ঠিত বিশেষ সাধারণ সভায় (ইজিএম) বিনিয়োগকারীরা এ অনুমোদন দেন। ডিএসই সূত্রে গতকাল এ তথ্য জানা গেছে।
তথ্যানুসারে, ২০২১ সালের অক্টোবরে আইপিওর মাধ্যমে ৩০ কোটি টাকা সংগ্রহ করে একমি পেস্টিসাইডস। এ অর্থ চলতি বছরের ৩০ জুনের মধ্যে ব্যয় করার কথা ছিল। নির্ধারিত সময়ে কোম্পানিটি ২১ কোটি ৮৬ লাখ টাকা ব্যয় করেছে। এখনো ৮ কোটি ১৪ লাখ টাকা অব্যবহৃত রয়েছে। পরে অব্যবহৃত অর্থ ব্যয়ের সময়সীমা ২০২৭ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয় কোম্পানিটির পর্ষদ। এর আগে বিএসইসি একমি পেস্টিসাইডসকে সময়সীমা বাড়ানোর অনুমোদন দেয়।
এদিকে কোম্পনিটির আইপিও-সংক্রান্ত ব্যয় থেকে প্রায় ৪১ লাখ টাকা অবশিষ্ট রয়ে গেছে। সেই অর্থ চলতি মূলধন হিসেবে ব্যবহার করতে বিনিয়োগকারীদের অনুমোদন নেয়া হয়েছে।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২৫-২৬ হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) একমি পেস্টিসাইডসের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ১০ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই প্রান্তিকে যা ছিল ১২ পয়সা। ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১৬ টাকা ৩১ পয়সায়।
সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৪-২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের দশমিক ১ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে একমি পেস্টিসাইডসের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ১ টাকা ১৪ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৭৬ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৬ টাকা ৪১ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২৩-২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের দশমিক ২৫ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে একমি পেস্টিসাইডসের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৭৬ পয়সা। আগের হিসাব বছরে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ৯৬ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৭ টাকা ৫৮ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২২-২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের দশমিক ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে একমি পেস্টিসাইডসের ইপিএস হয়েছে ৯৬ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ৫১ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৮ টাকা ৩৫ পয়সায়।
২০২১ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত একমি পেস্টিসাইডসের অনুমোদিত মূলধন ১৫০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১৩৫ কোটি টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ১০২ কোটি ২৭ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ১৩ কোটি ৫০ লাখ। এর ৩১ দশমিক ৮০ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ১৭ দশমিক ২৩ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৫০ দশমিক ৯৭ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।